কল্পনায় ভাসমান সত্যধর্ম্মী নহে।


 

  কল্পনা মাত্রই মিথ্যা। মিথ্যা মাত্রই পাপ স্পর্শ হয় জানিবে। মিথ্যা অবলম্বনকারী সত্যকে উপলব্ধি করিতে পারে না। গুরুদেব কল্পিত দেবদেবীর ছবি ও মূর্ত্তিতে প্রণাম প্রর্য্যন্ত করিতে বারণ করিয়াছেন। কিন্তু বেন্দায় প্রথমে কল্পিত মূর্তি ও পরে ছবি রাখিয়া উপাসনা ও উৎসব হইতেছে। এইরুপ মহা পাপে কলুষিত কেন করিতেছে??? ইহারা কেহই সত্যধর্ম্মী নহে। এইরূপ কলঙ্কে জড়িত, তাহারা সত্যাধর্ম্মের কলঙ্ক। কেননা তাহারা গুরুবাক্য ও সত্যধর্ম্মের নিয়ম প্রতিমূহুর্ত্তে লঙ্ঘন করিতেছে। 


    এখানে সত্যের প্রচার হইতেছে। চারিদিকে যে মিথ্যাচার হইতেছে তাহা বারংবার বলিব ইহাতে কাহারও আঘাত লাগিলে কিছু করার নাই। বহু বছর ধরিয়া বলিয়া আসিতেছি কিন্তু দম্ভের কারণে এবং আধিপত্য কায়েমের জন্য ইহা ছাড়িতে পারিতেছে না। 


     যাহারা নিজেদের সত্যধর্ম্মী মনে করেন তাহাদের মনে রাখিতে হইবে গুরুবাক্য ও সত্যধর্ম্মের নিয়ম অক্ষরে অক্ষরে পালন করিয়া চলিতে হইবে। কেননা চারিদিকে দেখা যায় বাড়িতে বাড়িতে কল্পিত মূর্তি ও ছবি রাখিযা পূজা করিতেছে ইহা কেন??? কতদিন এই ঘোর পাপ করিয়া চলিবে??? গুরুদেব বলিয়াছেন "উপপতি রতাপ্রায় উপধর্ম্ম পাপময়। ধর্ম্ম বোধে অধর্ম্মেরে সাধু নাহি রতহয়।" এখানে কি বলিলেন একবারটি দেখুন নিজের স্বামী থাকা সত্ত্বেও অন্যের স্বামীর সঙ্গে সহবাস করিলে যে পাপ হয় সেই পাপ হয় কল্পিত ছবি ও মূর্তিতে পূজা করিলে। উহাতে সৎ ব্যাক্তি রত হয়না। "কিন্তু গুরুর অভাবে ধর্ম্মা কাঙ্ক্ষার প্রভাবে অধর্ম্মেরে ধর্ম্ম ভেবে অনেকে যায় নিরয়" উহাকে যাহারা ধর্ম্ম ভাবে তাহাদের নরকে যাইতে হয়। সুতরাং কি করা প্রয়োজন একবারটী ভাবিবেন না???


    অযোগ্য হস্তে অমূল্য সম্পদ রক্ষিত নহে। যে তরিতে বাহক নাহি রহে উহা যে দিক ভষ্ট হইবেই ইহা বলাই বাহুল্য। গুরুদেব পরলোকগমন করিবার পর হইতে সত্যধর্ম্মের অবক্ষয় শুরু হইয়াছে কেননা মহাত্মা নিবারণ মাতাজীর কথা কেহই শোনেননাই ইহারি ফলস্বরূপ আজ সত্যধর্ম্মের এত কলুষিতময় অবস্থা। 


    সকলেল কাছে অনুরোধ এই অমূল্য সম্পদকে রক্ষা করিয়া রাখিতে হইলে সত্যধর্ম্মের নিয়ম ও গুরুবাক্য পালন একান্ত প্রয়োজন কেননা এই ধর্ম্ম আত্মোন্নতির জন্যই। সত্যই যাহারা আত্মোন্নতির লালসায় লালায়িত তাহারা ইহা নিশ্চই পালন করিয়া চলিবেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ