সত্য প্রতিষ্ঠা কি ভাবে হইবে?


 

  .        আত্ম সংস্করণ না হইলে উন্নতি সুদূরপরাহত। তেমনই এতদিনে সত্যধর্ম্মে যে কলুষিত হইয়াছে তাহা পরিস্কার না হইলে সত্যের প্রচার বিঘ্ন হইবে ও হইতেছে।  কেননা এতদিন ধরিয়া সত্যধর্ম্মের নিয়ম বহির্ভূত কাজ হইয়াছে যাহার জন্য আত্মোন্নতি তেমন ভাবে দেখা যায় নাই। যেমন নিজে উন্নতি করিতে পারিলে অন্যকে সাহায্য করা সম্ভব। মহাত্মা গুরুনাথ স্থূল শরীর ত্যাগ করিবার পর হইতে বহুদিন একত্ব প্রাপ্ত হয় নাই। ইহার কারণ গুরু বাক্য লঙ্ঘন হইয়াছে ইহা কেন??? 


        এতদিন ধরিয়া সত্যধর্ম্মের কলুষিত রূপ।


      ১)  সত্যধর্ম্মীরা হিন্দু নহে। ২) মা আদরমণি দেবীকে গুরুমা বলিলে পাপ হয়। ৩) উপাসনা কালে সাকার ছবি রাখিয়া উপাসনা করিলে সত্যধর্ম্মের প্রথম সর্ত লঙ্ঘনের পাপ হয়। সুতরাং উপাসনায় কোনরূপ ছবি মূর্তি রাখা যাইবে না। ৪) প্রেম গুণের উপাসনায় কাম্যবিষয়ক শব্দ ব্যাবহার করা যাইবে না। ৫) "সত্য সনাতন পতিতিত পাবন নিত্য নিরঞ্জন বিভূ জয় জয়" এই গানটী পাপ হইতে মুক্তির নিমিত্ত সুতরাং এই গানে নিত্য করা যায় না। ৬) সাধারণের জন্য উপাসনা খণ্ডে উপাসনা পদ্ধতি লিখিয়া গিয়াছে তাহা যথাযথ পালন হইতেছে না। ৭) "সর্ব্বসিদ্ধি শান্তিদাতা জগৎগুরু গুরুনাথের জয় জয় জয়। শান্তিদাতা সুখদাতা দুঃখহারী গুরুনাথের জয় জয় জয়" এই গানটী পরমপিতার গুণকীর্ত্তন সুতরাং এই গানটী গুরুপূজায় গাওয়া যায় না। তাহা হইলে গুরুদেকে পরমপিতার আসনে বসাইবার ঘোর পাপে পতিত হইতে হয়। ৮) গুরু বরণ গুরু ভক্তির নামন্তর সুতরাং গুরুবরণ কেন হয় নাই? ৯) কল্পনা মাত্রই মিথ্যা, মিথ্যা মাত্রই পাপ স্পর্শ হয় জানিবে। ইহা শুনিয়াও কেন উহা অবলম্বন করিতেছে। ৯) কেন কল্পিত ছবি রাখিয়া উৎসব পর্যন্ত হইতেছে? ১০) নাম প্রদান দীক্ষা নহে কেন উহাকে দীক্ষা বলা হইতেছে? ১১) দীক্ষিত না হইলে সত্যধর্ম্মী হইতে পারে না তবুও সকলে বলিতেছে সত্যধর্ম্মী ইহা ঠিক নহে। ১২) সত্যধর্ম্মে স্থূল দেহধারী নারীগণ দীক্ষা দিতে পারেন না। তাহাও হইয়াছে। ১৩) যাহারা সমদর্শনে সিদ্ধ হইতে পারেনাই তাহারা সাধনা করাইতেছে।১৪) যাহারা নিজে দীক্ষিত নহে তাহারা আবার নাম প্রদান করিতেছেন। ১৫) সত্যধর্ম্মের নামে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধ করিতেছে। ১৬) উৎসব ক্ষেত্র শিক্ষা কেন্দ্র কেন উৎসবে এতদিন পঞ্চসময় উপাসনা হয় নাই? ১৭) কেন এতদিন ত্রিসন্ধা গুরুপূজা উৎসবে হয় নাই? ১৮) গুরুদেব কল্পিত দেবদেবীর ছবি ও মূর্তিতে প্রণাম পর্য্যন্ত করিতে বারণ করিয়াছেন তাহা এখনও কেন হয়? ১৯) সত্যধর্ম্মীদের ঘরে কেন কল্পিত ছবি ও মূর্ত্তি থাকে? ২০) গুরু আজ্ঞা কেন অক্ষরে অক্ষরে পালন হইতেছে না? ২১) কেন গুরুদের ছবির সঙ্গে অন্যান্য ছবির মেলা মেলাইয়াছে? ইহাতে একসময় গুরুদেবের ছবি খুঁজিয়া বাহির করিতে কষ্ট হইবে ইহা কেন? গুরু ভিন্ন কাহারও পূজা করিবে না ইহা কি পালন হইতেছে? ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি।।


    এইভাবে চলিলে গুরুদেবের এত পরিশ্রম সব বৃথা হইবে। এখনও সময় আছে ঠিক করিবার।  দির্ঘ আট বছর ধরিয়া তর্ক করিয়া বিফল হইয়াছে কেননা এখানে গুরু বাণী ও সত্যধর্ম্ম গ্রন্থের লাইন তুলিয়া তুলিয়া খণ্ডন করা হইয়াছে, ইহার পরেও এখনও সেইরূপ কার্য্য দেখিতে হ ইতেছে। ইহাতে কি সত্যের প্রচার হইবে?????


      যাহাদের একটু চেতনাশক্তি আছে তাহারা একটু বিবেচনা করিয়া দেখুন সত্যধর্ম্মের নিয়ম ও গুরুবাক্য পালন করিবেন, নাকি মিথ্যা পরংপরা আঁকড়ে জীবন নষ্ট করিবেন???

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ