পাশবদ্ধ পশু সমানও ভূতলে। একটি ধর্ম্মে আছে,"৮৪ লক্ষ যোনি ভেদ করে মানব জনম হয়" এর অর্থ সৃষ্টিতে যতরকম পশু আছে তাদের সকলের মনোবৃত্তি এই মনুষ্যরূপী জীবের মধ্যে সীমাবদ্ধ ভাবে আছে সুতরাং পাশবদ্ধ পশু মনোবৃত্তি লয়ে মানব নামক জীব হতে মানুষ অর্থাৎ মান বজায় রেখে হুস যেমন সচেতন হয়ে কার্য্য করার মনোবৃত্তি যখন জন্মায়। সত্যি কি তা দৃশ্যমান এই মানব জীবের মধ্যে? সুতরাং মানুষ হয়ে ওঠাই মনুষ্যত্বের পরিচয়। প্রকৃত সত্য অবলম্বনে শিক্ষা ই একমাত্র এই নিম্ন মনোবৃত্তির হাত হতে উদ্ধার করতে পারে, মূল কথা পশু মনোভাব ত্যাগ করে মানুষ হয়ে ওঠার একমাত্র পথ জ্ঞান অর্জন। এ ত গেল মানুষ হয়ে ওঠার কথা, কিন্তু মানুষ কথার অর্থ শুধু সচেতন হওয়া মাত্র, কিন্তু তার মধ্যে তখনও পশুর মনোবৃত্তি বিদ্যমান থাকে, কেননা অষ্টপাশ ষড়রিপু ঐ পশুত্বের পরিচয়। যাকে বশীভূত করে এই মানব জন্মের স্বার্থকতা সম্পাদন করাই মূল উদ্দেশ্য।
- আদিষ্ট নিরুপম।

0 মন্তব্যসমূহ