সত্য কে জানা এবং অপরকে জানানোর মধ্যে গুণের তফাৎ থাকে তাই সত্য ধর্ম্মের প্রচার কার্যে আদীষ্টের কথাই সর্বপ্রধান। ঈশ্বর গুরুনাথ সেনগুপ্ত পার্থিব এবং আধ্যাত্মিক উভয় প্রকার জ্ঞানেই পরম উন্নতি লাভে জন্মগ্রহণ করার সার্থকতা সম্পাদন করেছিলেন।এই পৃথিবীবাসির উদ্ধারের জন্য ১৮৮৫ সালে ২০শে অক্টোবর তিঁনি সত্য ধর্ম্মের আবিষ্কার করেন । মুক্তির সুচারু পথ যা বিজ্ঞানসম্মত এবং সত্যতায় পরিপূর্ণ ।গুণ অর্জন এর মাধ্যমে আত্মোন্নতি করে যে অনন্ত গুণময় পরমেশ্বর এঁর দর্শন পাওয়া সম্ভব এই সর্বোৎকৃষ্ট সত্যধর্ম্মের আবিষ্কারক ঈশ্বর গুরুনাথ বহু বহু গুণের অধিকারী পান্ডিত্যে তাঁর জুড়ি মেলা ভার কিন্তু তিঁনি বাইরের সমাজ সংস্কার কার্যের তুলনায় অন্তরের ভেতরের সমাজকে সংস্কার করার উদ্দেশ্যে জীবন অতিবাহিত করেছেন।
ঈশ্বর গুরুনাথ যিঁনি এই সুমহান সত্য ধর্ম্মের আবিষ্কারক তাঁকে যাতে সবাই জানতে পারে তাই এই সুন্দর আয়োজন। আমাদের প্রবর্তক গুরুর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সম্পন্ন হলো।এমন গুণী একজন মহাত্মা কে কজন চেনে ? যারা নিজেদের সত্য ধর্ম্মী মনে করেন তারাও জানেন না।তাঁর গুণ বুঝতে চাইলে সত্য ধর্ম্মের সকল নিয়ম পালন করতে হবে কারন ঈশ্বর গুরুনাথ এঁর জীবনাদর্শ সত্য ধর্ম্মের সম্পদ।
সমাজ একটি সমষ্টিগত রূপ তাই প্রতিটি মানুষ যদি ভালো হতে চায় তবেই প্রকৃত অর্থে সমাজের মঙ্গল সাধিত হবে।
" হে বীর বাহিরে বৈরি নাশিবারে যত্নকারী
অন্তরে প্রবল অরি দর্শন করো,
যে তোমারে করে জয় তারে করো
পরাজয়,তবে হবে সুখদয় শুন বীরগণ"।
আমরা বাইরের শত্রুকে বেশি গুরুত্ব দিতে গিয়ে অন্তরে যে বিকৃতিকর মনোবৃত্তির দ্বারা সর্বদা পরাজিত হই,নিজেরা কুৎসিত হয়ে পরি , নিজের প্রতি নিজেরাই সম্মান হারিয়ে ফেলি ।তাই গুরুদেব আত্মার সংস্কার এর কথা বলেছেন। সেভাবেই প্রকৃত সমাজ সংস্কার হবে।
কোটি কোটি মানুষের উদ্ধারের এই সত্য পথের আবিষ্কারক ঈশ্বর গুরুনাথকে না জানলে সত্য ধর্ম্মের প্রচার সম্ভব না।
বর্তমান আদীষ্ট সাধকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গুরুদেব কে সবাই জানতে সমর্থ হচ্ছেন, গুরুদেব বলেছেন এই পথ কেউ দেখাতে পারেনি,কারোর দেখানোর শক্তিও নেই।তাহলে অপর কোন মহাত্মা সত্য ধর্ম্মের আবিষ্কার করতেন কিন্তু তা হয়নি,তারা সহায়ক।
সত্যের উৎকৃষ্ট সাধক অর্থাৎ সত্য গুণে পরমেশ্বর এঁর দর্শন লাভ করলে সত্যের প্রচারে আদীষ্ট হওয়া যায়, আমাদের প্রবর্তক গুরু সত্য গুণে ২০১১ সালে শিশিরোৎসবে সত্য স্বরূপ পরমপিতার দর্শন লাভ করেছেন । তাই সত্য ধর্ম্মের মধ্যে চলতে থাকা মিথ্যাচারকে বন্ধ করে,সবার মধ্যে এই শ্রেষ্ঠ ধর্ম্মের প্রচার কার্যে জীবনের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছেন!অতিযত্ন সহকারে নিজের শৈল্পিক প্রতিভা দ্বারা গুরু মূর্তি তৈরি করেছেন এবং এমন বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করে আমাদের সুখী করেছেন।
0 মন্তব্যসমূহ